This post is also available in:
English

টেক টেলস ইয়ুথ-২ শক্তিশালী দৃশ্যকাব্য বা ভিজুয়াল স্টোরিটেলিং এর মাধ্যমে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল অধিকার আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে চায়। টেক টেলস: ফিল্মস অ্যাবাউট ডিজিটাল রাইটস ইন এশিয়া-প্যাসিফিক এবং টেক টেলস ইয়ুথ ফিলিপাইন অ্যান্ড থাইল্যান্ড -এর সফলতার ধারাবাহিকতায় এসেছে টেক টেলস ইয়ুথ-২। এই নতুন সংস্করণ মূলতঃ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়াকে কেন্দ্র করে। এই সংস্করণে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার উদীয়মান চলচ্চিত্র নির্মাতারা শক্তিশালী স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে, যার বিষয়বস্তু তাদের নিজ নিজ দেশের ডিজিটাল অধিকার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ সমূহ।
এই প্রকল্প দুইভাবে ডিজিটাল অধিকার আন্দোলন ও অ্যাডভোকেসিকে শক্তিশালী করতে চায়। জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ডিজিটাল অধিকার নিয়ে কাজ করা দলগুলোকে শক্তিশালী অডিও-ভিজ্যুয়াল বিষয়বস্তু সরবরাহ করার পাশাপাশি এই প্রকল্পের আরেকটি উদ্দেশ্য আন্দোলনে নতুন দর্শক-সমর্থক ও অধিকারকর্মীদের সম্পৃক্ত করা।
বাংলাদেশে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো ডিজিটাল অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের সংযোগস্থাপনকে সামনে নিয়ে এসেছে। শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জড শ্রমিক ও ডিজিটাল শ্রমের উপর ইন্টারনেট শাটডাউনের প্রভাব, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কালীন গোপনীয়তার লঙ্ঘন থেকে শুরু করে হিজড়া কমিউনিটির উপর অনলাইনে হয়রানি ও ‘হুমকির’ প্রভাব, তা এই চলচ্চিত্র গুলোর বিষয়বস্তু। অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার চলচ্চিত্রগুলো অনলাইন নিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে তুলে ধরেছে অনলাইনে গ্রুমিং ও কিশোর কিশোরীদের শোষণ, সাইবার বুলিং সম্পর্কিত মৃত্যুকে “অজুহাত” হিসেবে ব্যবহার করে নিপীড়নমূলক আইন নির্মাণ ও আইনের অপব্যবহার এবং বহু সংস্কৃতির সমাজে জাতিগত ও ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টিতে ডিজিটাল ডিজ- ইনফর্মেশনের ভূমিকা।
তথ্য প্রদানের পাশাপাশি এই চলচ্চিত্রগুলো ডিজিটাল অধিকার আন্দোলনকে শক্তিশালী করতেও ভূমিকা রাখে। সে এটা করে, মূলতঃ দুই ভাবেঃ নতুনদের আন্দোলনে যুক্ত হতে উৎসাহিত করে এবং চলচ্চিত্র উৎসব, কমিউনিটি স্ক্রিনিং ও তৃণমূল প্রচারাভিযানে ব্যবহৃত হতে পারে এমন প্রভাবশালী প্রচারণা সামগ্রী তৈরির মাধ্যমে।
টেক টেলস ইয়ুথকে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করুন:@techtales.engagemedia















